কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ারিং

অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার কি? অ্যাপ্লিকেশন সফ্টওয়্যার কত প্রকার?

আমরা প্রত্যেকেই জানি যে কম্পিউটার বা মোবাইল চালানোর জন্য সফ্টওয়্যারের প্রয়োজন হয়। কম্পিউটারের ক্ষেত্রে আমরা বলি সফ্টওয়্যার আর মোবাইলের ক্ষেত্রে আমরা বলি অ্যাপস। এই আর্টিকেলে আমরা অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার কি এই সম্পর্কে বিস্তারিত জানার চেষ্টা করবো।

 

অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার কি

অ্যাপ্লিকেশন সফ্টওয়্যার সম্পর্কে জানার আগে আপনাকে প্রথমে সফ্টওয়্যার  সম্পর্কে জানতে হবে। আপনি যদি এই বিষয়ে না জেনে থাকেন তবে আমার এই সফ্টওয়্যার কাকে বলে এই আর্টিকেলটি পড়ে আসতে পারেন। 

 

অ্যাপ্লিকেশন সফ্টওয়্যার হলো এমন এক ধরণের সফ্টওয়্যার যেটা সাধারণ ব্যবহারকারী ব্যবহার করে তাদের প্রয়োজনীয় চাহিদা মিটিয়ে থাকে। অর্থাৎ অ্যাপ্লিকেশন সফ্টওয়্যারের একমাত্র উদ্দেশ্য হলো ব্যবহারকারীকে তার প্রয়োজনীয় কাজ করতে সহায়তা করা। 

 

আমাদের কাজের জন্য সাধারণত কম্পিউটারে যেসব সফ্টওয়্যার ব্যবহার করে থাকি তার বেশিরভাগই অ্যাপ্লিকেশন সফ্টওয়্যার। মাইক্রোসফট ওয়ার্ড, এক্সেল, পাওয়ার পয়েন্ট এবং জনপ্রিয় ব্রাউজারের মধ্যে রয়েছে গুগল ক্রম, মজিলা ফায়ারফক্স এসবই হলো অ্যাপ্লিকেশন সফ্টওয়্যারের উদাহরণ। 


মোবাইল অ্যাপসগুলির মধ্যে মধ্যে রয়েছে ফেসবুক, হোয়াটসঅ্যাপ, বিভিন্ন ধরনের গেম ইত্যাদি। প্রত্যেকটি অ্যাপ্লিকেশন বা অ্যাপস ই নির্দিষ্ট কোনো কাজের জন্য তৈরি করা হয়েছে।

 

অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার এর কাজ কি

অ্যাপ্লিকেশন সফ্টওয়্যারগুলি অনেক ধরনের কাজ করার জন্য তৈরি করা হয়েছে। এখন আমরা দেখবো অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার কি ধরনের কাজ করে থাকে। তাহলে অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার কি এ সম্পর্কে আরো ভালোভাবে জানতে পারবো। 

 

  1. কোন প্রতিষ্ঠানের জন্য তথ্য এবং ডাটা ম্যানেজমেন্টের ক্ষেত্রে অ্যাপ্লিকেশন সফ্টওয়্যারের প্রয়োজন হয়

  2. স্যালারি, ফিন্যান্স এবং অ্যাকাউন্ট ম্যানেজমেন্ট করতে অ্যাপ্লিকেশন সফ্টওয়্যার প্রয়োজন হয়

  3. প্রজেক্ট ম্যানেজমেন্ট করতে অ্যাপ্লিকেশন সফ্টওয়্যারের প্রয়োজন হয়। 

  4. বিজনেস প্রক্রিয়া ম্যানেজমেন্টের ক্ষেত্রে

  5. পড়াশোনার জন্যও বর্তমানে অনেক ধরনের সফ্টওয়্যার পাওয়া যাচ্ছে। 

  6. চিকিৎসা খাতে অ্যাপ্লিকেশন সফ্টওয়্যার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। বর্তমানে উন্নমানের পরীক্ষা নীরিক্ষা সম্ভব হচ্ছে এসব অ্যাপ্লিকেশন সফ্টওয়্যারের কল্যাণে। 

  7. বিভিন্ন ভিডিও তৈরি করা বা মডিফাই করার জন্যও অনেক অ্যাপ্লিকেশন সফ্টওয়্যার রয়েছে।

 

অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার এর উদাহরণ

এবার আমরা কিছু অ্যাপ্লিকেশন সফ্টওয়্যারের উদাহরণ দেখবো। এতে করে অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার কি এ সম্পর্কে আরো ভালো ধারণা হবে।

 

মাইক্রোসফট অফিস অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার

আপনারা যারা কম্পিউটার সম্পর্কে টুকটাক জানেন তারা নিশ্চয় এই মাইক্রোসফট অফিস সম্পর্কে জেনে থাকবেন। অথবা মাইক্রোসফট ওয়ার্ড বা এক্সেল সম্পর্কে জেনে থাকবেন। এই সবই হলো মাইক্রোসফট অফিসের অধীনের সফটওয়্যার। 

 

মাইক্রোসফট ওয়ার্ডের মাধ্যমে আপনি যেকোনো ধরনের লেখালেখি করতে পারবেন। এতে আপনি বিভিন্ন রিপোর্ট তৈরি করতে পারবেন বা বিভিন্ন প্রয়োজনে টেবিল যুক্ত করতে পারবেন। মাইক্রোসফট এক্সেলও অনেক জনপ্রিয় একটি ডাটা স্টোর বা ম্যানেজমেন্ট এর জন্য।  অপরদিকে পাওয়ার পয়েন্টও খুব জনপ্রিয় বর্তমানে। বর্তমানে যেকোনো প্রেজেন্টশন তৈরি করার জন্য আমরা পাওয়ার পয়েন্টের যেন বিকল্প ভাবতেই পারিনা। 

 

অ্যাডোবি ক্রিয়েটিভ সুইট

মূলত গ্রাফিক্স ডিজাইনাররা এই অ্যাডোবি ক্রিয়েটিভ সুইট এর অ্যাপ্লিকেশনগুলি ব্যবহার করে থাকে। এখানে সৃজনশীল সফ্টওয়্যারগুলি রয়েছে যেমন Illustrator, Photoshop, InDesign, Premiere pro। ফটোশপ সাধারণত কোন ছবি এডিটিংয়ের জন্য ব্যবহৃত হয়, Illustrator ব্যবহার করা হয় ভেক্টর গ্রাফিক্স বা নতুন ডিজাইন তৈরি করার জন্য।

 

 In design লেআউট ডিজাইনের জন্য ব্যবহার হয়ে থাকে। অন্যদিকে Adobe Premiere Pro ভিডিও এডিটিং এর জন্য ব্যবহৃত হয়ে থাকে। ভিডিও এডিটিংয়ের জন্য বর্তমানে জনপ্রিয় একটি সফটওয়্যার হলো প্রিমিয়ার প্রো।

 

ওয়েব ব্রাউজার

কম্পিউটার বা মোবাইলের জন্য আমরা বিভিন্ন ধরনের ওয়েব ব্রাউজার ব্যবহার করে থাকি। এর মাধ্যমে আমরা বিভিন্ন ধরনের ওয়েবসাইট ভিজিট করে থাকি। জনপ্রিয় ওয়েব ব্রাউজার গুলোর মধ্যে হলো গুগল ক্রম, মজিলা ফায়ারফক্স, সাফারি ইত্যাদি। 


গুগল ক্রম হলো সর্বাধিক ব্যবহৃত একটি ব্রাউজার। এর সাদামাটা ডিজাইন, এর গতি এবং ইন্টারনেট ব্যবহারের অভিজ্ঞতা এটিকে অনেক জনপ্রিয় করে তুলেছে। এতে জনপ্রিয় ফিচার রয়েছে যেমন বুকমার্ক করা, বিভিন্ন ধরনের অত্যাধুনিক এক্সটেনশন সিকিউরিটি এগুলির কারণে এটি জনপ্রিয়তার শীর্ষে রয়েছে।

 

কমিউনিকেশন অ্যাপ্লিকেশন সফ্টওয়্যার

যারা ইন্টারনেট ব্যবহার করেন তারা নিশ্চয় কোনো কোনো কমিউনিকেশন সফ্টওয়্যার ব্যবহার করে থাকে। কেননা করোনা কালিন সময় থেকে এসব সফ্টওয়্যারের ব্যবহার অনেক বেড়ে গেছে। কমিউনিকেশন সফ্টওয়ারের মধ্যে রয়েছে স্কাইপ, গুগল মিট, জুম। এগুলোর মাধ্যমে আমরা লাইভ মিটিং করতে পারি। 

 

এছাড়াও আমরা বিভিন্ন ধরনের সোস্যাল মিডিয়াও ব্যবহার করে থাকি কমিউনিকেশনের জন্য। যেমন হোয়াটসআপ, ফেসবুক ইত্যাদি। ফেসবুক মেসেন্জারের গ্রুপ করার মাধ্যমে আমরা গ্রুপ আড্ডা বা কথা বলতে পারি। 

 

মাল্টিমিডিয়া অ্যাপ্লিকেশন সফ্টওয়ার

মোবাইলফোনে আমরা যে সকল অ্যাপ ব্যবহার করি তাকেই সাধারণত সংক্ষেপে মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন সফ্টওয়্যার বলে। এটি এমন এক ধরনের অ্যাপ্লিকেশন সফ্টওয়্যার যেটি শুধুমাত্র মোবাইলফোনে ব্যবহারের তৈরি করা হয়ে থাকে। 

 

সাধারণত আমরা যেসব অ্যাপ্লিকেশন কম্পিউটারের ওয়েব সাইটের মাধ্যমেই করে ফেলতে পারি, মোবাইলের জন্য সেসবের জন্য আলাদা আলাদা অ্যাপ রয়েছে। যেমন ফেসবুক, গুগল মিট, ইউটিউব ইত্যাদি। এই অ্যাপগুলি সাধারণত ছোট আকারে কম ফাংশন দিয়ে গঠিত হয়ে থাকে।

 

অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার কত প্রকার

ক্যাটাগরির উপর ভিত্তি করে অ্যাপ্লিকেশন সফ্টওয়্যারকে কয়েকভাগে ভাগ করা যায়। চলুন এবার এর প্রকারভেদগুলি দেখে আসি তাহলে অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার কি এ সম্পর্কে আরো ভালোভাবে জানা যাবে।

 

ফ্রিওয়্যার

যে সকল সফ্টওয়্যার আমরা ফ্রিতেই ব্যবহার করতে পারি সেগুলোকেই ফ্রিওয়্যার বলে। এসব সফ্টওয়্যার ইন্টারনেটেই ফ্রিতে পাওয়া যায়। এই সফ্টওয়্যারগুলোর মধ্যে রয়েছে, গুগল ক্রম, মজিলা ফায়ারফক্স, অ্যাডোবি পিডিএফ, ভিএলসি প্লেয়ার ইত্যাদি।

 

শেয়ারওয়্যার

যে সকল সফ্টওয়্যার আমাদের কিছুদিনের জন্য ফ্রি ট্রায়াল হিসেবে ব্যবহার করতে দেয়। পরবর্তীতে এটি ব্যবহার করার জন্য চার্জ দিতে হয় সেগুলোকেই শেয়ারওয়্যার বলে। সাধারণত ফ্রি ট্রায়াল হিসেবে যে কেউ এটি ব্যবহার করতে পারে কিন্তু পরবর্তীতে এটি চালিয়ে যেতে চাইলেই আমাদের পেমেন্ট দিতে হয়। এ সকল সফ্টওয়্যারের মধ্যে রয়েছে অ্যাডোবি ইলাস্ট্রাটর, উইনজিপ।

 

ওপেন সোর্স অ্যাপ্লিকেশন সফ্টওয়্যার

ওপেন সোর্স সফ্টওয়্যার হলো এমন এক ধরনের সফ্টওয়্যার যার সাথে সোর্স কোডও পাওয়া যায়। এর ফলে ব্যববহারকারি চাইলে সফ্টওয়্যারের যেকোনো ধরনের পরিবর্তন করে নিতে পারে তার ইচ্ছানুযায়ী। সে তার ইচ্ছামত কোন ফাংশন যুক্ত বা বাদও দিতে পারে। এটা ফ্রি ও হতে পারে বা পেইড সফ্টওয়্যারও হতে পারে। এ ধরনের সফ্টওয়্যারের মধ্যে রয়েচে Moodle এবং Apache Web Server সমূহ।

 

ক্লজড সোর্স অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার

বর্তমান যুগে আমরা যে সকল সফ্টওয়্যার ব্যবহার করে থাকি তার মধ্যে বেশিরভাগই হলো ক্লজড সোর্স সফ্টওয়্যার। এগুলো সাধারণ পেইড সফ্টওয়্যার হয়ে থাকে এছাড়া এই সকল সফ্টওয়্যারের সোর্স কোডগুলো খুব সুরক্ষিত অবস্থায় রাখা হয়। এগুলোর মধ্যে রয়েছে অপারেটিং সফ্টওয়্যার, গুগল আর্থ, স্কাইপ ইত্যাদি।

 

ওয়ার্ড প্রসেসিং সফ্টওয়্যার

ওয়ার্ড প্রসেসিং সফ্টওয়্যার হলো এমন একটি সফ্টওয়্যার যার মাধ্যমে আমরা কোন ডকুমেন্ট তৈরি করতে পারি। এবং পরবর্তীতে এই ডকুমেন্ট এডিট করতে পারি এবং সেইভ করে রাখতে পারি। এই ধরনের সফ্টওয়্যারের মধ্যে রয়েছে মাইক্রোসফ্ট ওয়ার্ড।

 

স্প্রেডশিট সফ্টওয়্যার অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার

স্প্রেডশিট সফ্টওয়্যার হলো এমন একধরনের সফ্টওয়্যার যেটাতে আমরা নাম্বার নিয়ে অনেক কাজ করতে পারি। বিভিন্ন ক্যালকুলেশন, বিভিন্ন হিসাব আমরা মূহুর্তের মধ্যেই করে ফেলতে পারছি। স্প্রেডশিট সফ্টওয়্যারগুলোর মধ্যে রয়েছে মাইক্রোসফ্ট এক্সেল, গুগুল স্প্রেডশিট ইত্যাদি।

 

প্রেজেন্টেশন অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার

প্রেজেন্টেশন সফ্টওয়্যারের সাথে আমরা মোটামুটি সবাই এখন পরিচিত। এখন কলেজ ভার্সিটিতে আমাদের শিক্ষকরাও প্রেজেন্টেশন স্লাইডের মাধ্যমে আমাদের শিক্ষাদান করছে। প্রেজেন্টেশন সফ্টওয়্যারের মাধ্যমে খুব সুন্দর সুন্দর প্রেজেন্টেশন তৈরি করা যায়। প্রেজেন্টেশন সফ্টওয়্যারের মধ্যে রয়েছে মাইক্রোসফ্ট পাওয়ার পয়েন্ট।

 

এডুকেশন অ্যাপ্লিকেশন সফ্টওয়্যার

বর্তমানে শিক্ষা ক্ষেত্রে ইন্টারনেটের ব্যবহার যেমন দিন দিন বেড়ে যাচ্ছে তেমনিভাবে সমান তালে সফ্টওয়্যারগুলোও অনেক উন্নত হচ্ছে। এখন আমরা অনলাইনে ক্লাস করা থেকে শুরু করে বিভিন্ন ধরনের সফ্টওয়্যার ব্যবহার করছি। এগুলোর মধ্যে রয়েছে গুগল ক্লাসরুম, ভাষা শেখার বিভিন্ন অ্যাপ।

 

গ্রাফিক্স অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার

বর্তমানে বিশ্বজুড়ে গ্রাফিক্স সফ্টওয়্যার ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে। বর্তমানে গ্রাফিক্স ডিজাইনের অনেক সফ্টওয়্যার রয়েছে যেমন ফোটোশপ, ইলাস্ট্রেটর, ক্যানভা ইত্যাদি।

সিমুলেশন সফ্টওয়্যার

বর্তমানে অনেক ধরনের সিমুলেশন সফ্টওয়্যার রয়েছে যার মাধ্যমে আমরা দুটি পণ্যের মধ্যে তুলনা করতে পারি। এবং এটির মাধ্যমে পণ্যগুলোও মূল্যায়ন করতে পারি।

 

সিস্টেম সফটওয়্যার ও এপ্লিকেশন সফটওয়্যার এর মধ্যে পার্থক্য

সিস্টেম সফ্টওয়্যার ও অ্যাপ্লিকেশন সফ্টওয়্যারের মধ্যে অনেক পাথক্য রয়েছে।  চলেন এবার কিছু পার্থক্য দেখে নেওয়া যাক অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার কি এ সম্পর্কে বোঝার জন্য।

সিস্টেম সফ্টওয়্যার অ্যাপ্লিকেশন সফ্টওয়্যার
এই ধরনের সফ্টওয়্যারের মূল উদ্দেশ্য হলো একটি সিস্টেমের জন্য সকল রিসোর্স পরিচালনা করা। অ্যাপ্লিকেশন সফ্টওয়্যারকে চালানোর জন্য এটি একটি প্ল্যাটফর্ম হিসেবে কাজ করে।
নির্দিষ্ট কোন কাজ পরিচালনার উদ্দেশ্যে অ্যাপ্লিকেশন সফ্টওয়্যার তৈরি করা হয়।
সিস্টেম সফ্টওয়্যার লো লেভেল প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজের সাহায্যে লিখা হয়ে থাকে।
অ্যাপ্লিকেশন সফ্টওয়্যার হাই লেভেল ল্যাঙ্গুয়েজের মাধ্যমে তৈরি করা হয়।
আমাদের সিস্টেম অন করলেই সিস্টেম সফ্টওয়্যারও সয়ংক্রিয়ভাবে অন হয়ে যায় আবার সিস্টেম অফ করলে সফ্টওয়্যারগুলোও সয়ংক্রিয়ভাবে অফ হয়ে যায়।
ইউজারের যখন প্রয়োজন তখনই অ্যাপ্লিকেশন সফ্টওয়্যার ব্যবহার করা যাবে।
সিস্টেম সফ্টওয়্যার ছাড়া কোন সিস্টেমই চালু হতে পারবেনা।
ব্যবহারকারী শুধুমাত্র তার প্রয়োজনীয় সফ্টওয়্যারই ইনস্টল করে ব্যবহার করতে পারবে।
সিস্টেম সফ্টওয়্যার অনেক বড় পরিসরে ব্যবহৃত হয়ে থাকে।
অ্যাপ্লিকেশন সফ্টওয়্যার সাধারণত নির্দিষ্ট কাজের জন্য ব্যবহৃত হয়ে থাকে।

পরিশেষে

বর্তমান ডিজিটাল বাংলাদেশ বা বিশ্বে অ্যাপ্লিকেশন সফ্টওয়্যার একটি অপরিহার্য সহোযোগি হিসেবে দাড়িয়েছে। এর মাধ্যমে আমরা অনেক বড় বড় কাজ সহজেই করে ফেলতে পারছি। আশার করি আমরা অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার কি এই সম্পর্কে সমস্ত প্রশ্নের উত্তর দিতে পারছি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *