তথ্য প্রযুক্তি

তথ্য প্রযুক্তি কি? তথ্য প্রযুক্তির প্রকারভেদ

তথ্য প্রযুক্তি কি

তথ্য প্রযুক্তি কি? তথ্য প্রযুক্তি হলো একটি বিশাল প্রফেশনাল ক্যাটাগরি। যার মধ্যে রয়েছে যোগাযোগ, নেটওয়ার্ক তৈরি, ডাটা তথ্যের সুরক্ষা এবং কম্পিউটারের বিভিন্ন সমস্যা সমাধান করা। তথ্য প্রযুক্তি আমাদের দৈনন্দিন জীবনের বেশিরভাগ কাজেই অন্তর্ভুক্ত হয়ে গেছে। এটি আমাদের ব্যক্তিগত জীবনে অনেক বড় অংশ জুরে অবস্থান করে আছে। 

 

তথ্য প্রযুক্তির যে বড় বড় কোম্পানি আছে তারা থেকে শুরু করে যারা একক ব্যাবসা করে। বা স্থানীয় যে কার্যকলাপ সবকিছুই তথ্যপ্রযুক্তির উপর নির্ভর করে। 

 

আপনি নিশ্চয় ফেসবুক মার্কেটিং সম্পর্কে জেনে থাকবেন, যে কোন এক ব্যাক্তি যার নিজস্ব কোন দোকান নেই। সে শুধুমাত্র কিছু পোশাক ক্রয় করে বাসায় বসে ফেসবুকের পেইজে লাইভ বা ভিডিওর মাধ্যমে বিজ্ঞাপন দিয়ে ব্যাবসা করে যাচ্ছে। 

 

এছাড়া ইমেইল চেক করা থেকে শুরু করে কম্পিউটারে যে কোন সফ্টওয়্যার চালানো। সহকর্মীদের সাথে গুগল মিটে মিটিং করা পর্যন্ত সবকিছুই তথ্য প্রযুক্তি আওতায় পড়ে। 

 

এমনকি বিভিন্ন ধরনের সোশ্যাল মিডিয়া এবং আমরা টিভি চ্যানেলের যে নিউজ লাইভ দেখতে পাই। সবকিছুর জন্যই তথ্য প্রযুক্তি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

 

তথ্য প্রযুক্তির মাধ্যমে আপনি অনেক ধরনের সুবিধা পেতে পারেন। এটি আমাদের দৈনন্দিন জীবনের একটি বড় বিষয় হয়ে দাড়িয়েছে। কেউ তথ্য প্রযুক্তিতে তাদের ক্যারিয়ার গড়ে তুলতে পারে। আপনি বিভিন্ন ধরনের তথ্য প্রযুক্তির কোর্স করে নিজেকে দক্ষ করে তুলতে পারবেন। এটি অবশ্যই আপনাকে আপনার কর্মজীবনের উচ্চতায় পৌঁছাতে সাহায্য করবে।

 

 

তথ্য প্রযুক্তির ভূমিকা

আশা করি তথ্য প্রযুক্তি কি সেটা নিশ্চয়ই বুঝতে পারছেন। এবার চলুন তথ্য প্রযুক্তির ভূমিকা সম্পর্কে একটু জেনে নেওয়া যাক। 

 

তথ্য প্রযুক্তির ভূমিকা প্রকৃতপক্ষে বিশাল, এটি কোন প্রতিষ্ঠানের বর্তমান কর্মশক্তির জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি প্রদান করে থাকে। যোগাযোগ থেকে শুরু করে ডাটা ম্যানেজমেন্ট পর্যন্ত তথ্য প্রযুক্তি একটি প্রতিষ্ঠানের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে। 

 

বিগত দুই তিন দশকে তথ্য প্রযুক্তি সংশ্লিষ্টকাজগুলি ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। বিগত সময়ে বিভিন্ন হিসাব বা নথি রাখার জন্যে বা যোগাযোগের জন্য এনালগ সিস্টেম ব্যাবহার করা হতো।  এখন সেখানে উন্নতমানের ডিজিটাল সিস্টেম ব্যাবহার করা হয়। যার কারণে ব্যাবসায়ীক দিক দিয়ে যেমন সুফল পাওয়া যাচ্ছে তেমনিভাবে জীবনযাত্রার মানেরও উন্নতি হয়েছে। 

 

তথ্য প্রযুক্তি বা এই সংক্রান্ত সেবাগুলির মূল ভূমিকা হলো ডাটা সুরক্ষিত রাখা।  বিভিন্ন ধরনের ক্রটিগুলো কমিয়ে আনা এবং সিস্টেমকে কোনও ধরণের আক্রমণ থেকে রক্ষা করা।

 

 

তথ্য প্রযুক্তি কেন প্রয়োজন

আশা করি তথ্য প্রযুক্তি কি সেটা নিশ্চয়ই বুঝতে পারছেন। এবার চলুন তথ্য প্রযুক্তির ভূমিকা সম্পর্কে একটু জেনে নেওয়া যাক। 

 

তথ্য প্রযুক্তির ভূমিকা প্রকৃতপক্ষে বিশাল, এটি কোন প্রতিষ্ঠানের বর্তমান কর্মশক্তির জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি প্রদান করে থাকে। যোগাযোগ থেকে শুরু করে ডাটা ম্যানেজমেন্ট পর্যন্ত তথ্য প্রযুক্তি একটি প্রতিষ্ঠানের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে। 

 

বিগত দুই তিন দশকে তথ্য প্রযুক্তি সংশ্লিষ্টকাজগুলি ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। বিগত সময়ে বিভিন্ন হিসাব বা নথি রাখার জন্যে বা যোগাযোগের জন্য এনালগ সিস্টেম ব্যাবহার করা হতো।  এখন সেখানে উন্নতমানের ডিজিটাল সিস্টেম ব্যাবহার করা হয়। যার কারণে ব্যাবসায়ীক দিক দিয়ে যেমন সুফল পাওয়া যাচ্ছে তেমনিভাবে জীবনযাত্রার মানেরও উন্নতি হয়েছে। 

 

তথ্য প্রযুক্তি বা এই সংক্রান্ত সেবাগুলির মূল ভূমিকা হলো ডাটা সুরক্ষিত রাখা।  বিভিন্ন ধরনের ক্রটিগুলো কমিয়ে আনা এবং সিস্টেমকে কোনও ধরণের আক্রমণ থেকে রক্ষা করা।

 

তথ্য প্রযুক্তি সেবা

এখানে তথ্য প্রযুক্তির কিছু উদাহরণ দেওয়া হয়েছে যার দ্বারা আপনি তথ্য প্রযুক্তি সম্পর্কে আরেকটু পরিষ্কার ধারণা পাবেন।

 

নেটওয়ার্ক: যখন দুই বা ততোধিক কম্পিউটার তারবিহীন বা তারের মাধ্যমে একে অপরের সাথে সংযু্ক্ত থাকে তখন সেই সিস্টেমকেই নেটওয়ার্ক বলে। 

কম্পিউট: কম্পিউটিং পদ্ধতির মাধ্যমে ডাটা প্রসেসিং তথ্য প্রযুক্তির একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক। এটি আমাদের বিভিন্ন ধরনের ডাটা সংরক্ষণ করতে সহায়তা করে।

ডাটা স্টোরেজ: আমরা আমাদের দৈনন্দিন জীবনের বা কর্মজীবনের যেসব ডাটা সংরক্ষণ করে থাকি তার বেশিরভাগই করে থাকি তথ্য প্রযুক্তির মাধ্যমে। এখানে আমরা ডাটা প্রসেসিং না করে সরাসরিও সংরক্ষণ করতে পারি। 

সিকিউরিটি: যেখানে এত এত ডাটা নিয়ে কাজ কাজ হয় সেখানে সিকিউরিটি ব্যাপারটা সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ। সাইবার সিকিউরিটি প্রতিষ্ঠানগুলি অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের ডাটার সিকিউরিটি এবং আন-অথরাইজইড অ্যাক্সেস থেকে ডাটাকে রক্ষা করে থাকে। 

টেকনিক্যাল সাপোর্ট: হার্ডওয়্যার এবং সফ্টওয়্যারের সমস্যা সমাধান করার জন্য ব্যাবহার করা হয়।

স্মার্ট হোম কি

তথ্য প্রযুক্তির প্রকারভেদ

এখানে কিছু তথ্য প্রযুক্তির কিছু প্রকারভেদ উল্লেখ করা হয়েছে কেননা তথ্য প্রযুক্তি কি এটা জানার জন্য প্রকারভেদ গুলিও জানা জরুরী।

কম্পিউটিং

কম্পিউটিং আসলে কি? কম্পিউটিং হলো একটি নির্দিষ্ট লক্ষ ভিত্তিক কাজ করার উদ্দেশ্যে কম্পিউটার প্রযুক্তি ব্যবহার করার প্রক্রিয়া। এটি অ্যালগরিদম প্রসেসিং এর মাধ্যমে বিভিন্ন এক্সপেরিমেন্ট করে হার্ডওয়্যার এবং সফ্টওয়্যারের বিকাশ ঘটায়। এছাড়াও কম্পিউটিং সাইন্টিফিক, ইন্জিনিয়ারিং এবং সামাজিক দিকগুলি অন্তর্ভূক্ত করে।

সফ্টওয়্যার

সাধারণত সফ্টওয়্যার হচ্ছে অনেকগুলি ইন্সট্রাকশন, ডাটা এবং প্রোগ্রামগুলির সমন্বয় যেটা কম্পিউটার পরিচালনা করে নির্দিষ্ট কাজগুটি সম্পন্ন করে। এটি একটি কম্পিউটারের পরিবর্তনশীল পার্টস হিসেবে ভাবা যেতে পারে, যেখানে হার্ডওয়্যার অপরিবর্তনীয় পার্টস।

প্লাটফর্ম

প্লাটফর্ম হলো হার্ডওয়্যার এবং সফ্টওয়্যার আর্কিটেকচারের সমন্বয়। এটি অন্যান্য অ্যাপ্লিকেশন, প্রযুক্তি এবং প্রসেসিং এর ভিত্তি প্রদান করে থাকে। এটি সেই জায়গা যেখান থেকেই সফ্টওয়্যারগুলি প্রাথমিকভাবে রান করা হয়।

কম্পিউটার নেটওয়ার্কগুলি প্রাথমিকভাবে কম্পিউটিং ডিভাইসগুলিকে নিজেদের মধ্যে সংযোগ প্রদান করে এবং একে অপরের সাথে ডাটা এবং রিসোর্স আদান-প্রদান করে। একটি নেটওয়ার্কের কম্পিউটারগুলি সাধারণত টেলিফোন লাইন, রেডিও তরঙ্গ, স্যাটেলাইট অথবা ইনফ্রারেড আলোর রশ্মির মাধ্যমে সংযুক্ত হতে পারে।

এপিআই

এপিআই এর পূর্ণরূপ হলো অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রামিং ইন্টারফেস। এটি একটি স্বতন্ত্র ফাংশন সহ যে কোন সফ্টওয়্যার নিয়ে কাজ করে। এটাকে এভাবে সংজ্ঞায়িত করা যায় যে, কিভাবে দুইজন রিকুয়েস্ট এবং রেসপন্স এর মাধ্যমে একে অপরের সাথে যোগাযোগ করে।

ডাটা

ডাটা হলো তথ্যের একটি অংশ যা একটি নির্দিষ্ট পদ্ধতিতে ফরম্যাট করা হয়।  সকল সফ্টওয়্যারগুলিই সাধারণত দুটি ভাগে বিভক্ত থাকে একটি হলো প্রোগ্রাম এবং অপরটি হলো ডাটা।

ডাটাবেজ হলো ডাটার একটি সুসংগঠিত সংগ্রহ, যাতে এটি খুব সহজেই অ্যাক্সেস এবং পরিচালনা করা যায়। এটি ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম দ্বারা দেখাশোনা করা হয়।

 

ডাটা সিঙ্কোনাইজেশন

ডাটা সিঙ্কোনাইজেশন হলো এমন একটি সিস্টেম যা দুটি অ্যাপ্লিকেশনকে একই সাথে ডাটা আপডেট করতে সাহায্য করে। এটি ডাটার প্রতিটি সোর্স এবং সার্ভারের মধ্যে ডাটার সামঞ্জস্যতার নিশ্চয়তা প্রদান করে থাকে।

 

ডাটা স্টোরেজ হলো ভবিষৎতে ব্যবহার করার জন্য ফাইল এবং ডকুমেন্টসগুলি ডিজিটালভাবে সংরক্ষণ করা। ডাটা সংরক্ষণ এবং পুনরুদ্ধার করার জন্য প্রয়োজনে ইলেক্ট্রোম্যাগনেটিক, অপটিক্যাল বা অন্যান্য মিডিয়ার উপর নির্ভর করতে পারে।

 

অ্যানালাইটিকস

অ্যানালাইটিকস হলো অর্থপূর্ণ নিদর্শনগুলির আবিষ্কার এবং যোগাযোগ করার একটি সাইন্টিফিক প্রসেস যা ডাটা থেকেই পাওয়া যায়। একটি নির্দিষ্ট ডোমেইনের মাধ্যমে তথ্য বিশ্লেষণের প্রসেসকে ওয়েবসাইট বিশ্লেষণও বলা হয়। এবং এটি তথ্য প্রযুক্তির একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক।

 

কন্টেন্ট ডেলিভারি

কন্টেন্ট ডেলিভারি হলো কন্টেন্ট ডিস্ট্রিবিউশন, ডেলিভারি এবং কন্টেন্ট ক্যাশিং এর একটি শাখা। এটি ওয়েবসাইটের পেইজগুলিকে রিকুয়েষ্ট এর উপর ভিত্তি করে কপি এর মাধ্যমে ভৌগলিকভাবে সার্ভারে ছড়িয়ে দেয়। একইভাবে ডাইনামিক্যালি নিকটতম সার্ভার থেকে কন্টেন্ট পেইজগুলি আইডেন্টিফাই করা হয়।

 

কন্টেন্ট ম্যানেজমেন্ট

একটি কন্টেন্ট ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমে কিছু টেমপ্লেট, প্রসিডিউর এবং স্ট্যান্ডার্ড সফ্টওয়্যার ফরম্যাট রয়েছে যা একজন মার্কেটার এবং তাদের প্রক্সিকে সক্রিয় করে। এই প্রক্সিগুলি একটি ওয়েবসাইটের ল্যান্ডিং পেইজ, ব্লগ এবং ডকুমেন্টস সংগ্রহ করার জায়গাগুলির জন্য টেক্সট, গ্রাফিক্স, ছবি এবং অডিও পাশাপাশি ভিডিও ম্যানেজ করতে সহায়তা করে।

 

তথ্য প্রযুক্তি মনিটরিং

এটি হার্ডওয়্যার এবং সফ্টওয়্যার সহ আইটি অপারেশন সম্পর্কিত মেট্রিক্স সংগ্রহ করার একটি প্রক্রিয়া।  যা অ্যাপ্লিকেশন এবং অন্যান্য সার্ভিসগুলিকে সাপোর্ট করার জন্য প্রতিটি ফাংশন যথাযথভাবে সম্পন্ন হয়েছে কিনা তা নিশ্চিত করবে।

 

ইভেন্ট প্রসেসিং

ইভেন্ট প্রসেসিং হলো এমন একটি প্রক্রিয়া যা ইভেন্ট বা ইভেন্টের স্ট্রিম নেয়। এটি এগুলি বিশ্লেষণ করে এবং অটোমেটিক পদক্ষেপ নেয়। রিডিং, ক্রিয়েটিং এবং ট্রান্সফরমিং হলো ইভেন্ট প্রসেসিং এর চমৎকার উদাহরণ।

 

প্রসেস অটোমেশন

প্রসেস অটোমেশন হলো জটিল বিজনেসকে টেকনোলোজি ব্যাবহার করে অটোমেট করার একটি প্রক্রিয়া। এটি ম্যানুয়ালি ইন্টারভেনশন হ্রাস করার ক্ষেত্রেও ভূমিকা রাখে।

 

ট্রানজেকশন প্রসেসিং

ট্রানজেকশন প্রসেসিং এমন একটি প্রসেসিং স্টাইল যেটা সাধারণত বড় সার্ভারের মাধ্যমে পারফর্ম করে এবং এটা ইন্টারেক্টিভ অ্যাপ্লিকেশনকে সমর্থন করে। এই ট্রানজেকশন প্রসেসিংয়ে যে কোন কাজকে পৃথকভাবে এবং অবিভাজ্যভাবে অপারেশন এবং অন্যান্য লেনদেন পদ্ধতিতে বিভক্ত।

 

আর্টিফিসিয়াল ইনটেলিজেন্ট

আর্টিফিসিয়াল ইনটেলিজেন্ট হলো এমন একটি কম্পিউটার, রোবট বা সিস্টেম যেটা সাধারণত বুদ্ধিমান প্রাণীর সাথে সম্পর্কিত কাজগুলি সম্পন্ন করতে পারে। নির্দিষ্ট AI অ্যাপ্লিকেশনগুলি হলো এক্সপার্ট সিস্টেম, ন্যাচারাল ল্যাঙ্গুয়েজ প্রসেসিং, মুখের ভাষা বুঝতে পারা এবং দৃষ্টি।

 

সাধরণত মানুষের ভাষায় ক্লাউড কম্পিউটিং হলো, কম্পিউটিং সার্ভিস ডেলিভারি দেবার জন্য কিছু পদ্ধতি। এতে যেমন ডাটাবেজ অন্তভুক্ত রয়েছে ঠিক তেমনিভাবে সার্ভার স্টোরেজ, নেটওয়াকিং সফ্টওয়্যার অ্যানাইটিক এবং ইন্টেলিজেন্স ও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

 

কমিউনিকেশন তথ্য প্রযুক্তির জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে। এটিকে একটি ছাতার সাথে তুলনা করা যেতে পারে। যার ভিতরে অন্তর্ভুক্ত আছে টেলিভিশন, মোবাইল ফোন, কম্পিউটার, নেটওয়ার্ক হার্ডওয়্যার এবং স্যাটেলাইট সিস্টেম সহ কমিউনিকেশনে যুক্ত থাকা সকল ডিভাইস।
 

সাইবার সিকিউরিটি ইন্টারনেট সংযুক্ত হার্ডওয়্যার এবং সফ্টওয়্যার ডাটাকে সাইবার হামলা থেকে রক্ষা করে থাকে। যেহেতু সাইবার সিকিউরিটি সময়ের সাথে সাথে আরো পরিশীলিত হয়ে ওঠে। এবং কর্পোরেট নেটওয়ার্কগুলিও আরো জটিল হয়ে ওঠে তাই কর্পোরেট সাইবার ঝুঁকি কমানোর জন্য সাইবার সিকিউরিটিকেও সেভাবে তৈরি করা প্রয়োজন।

ইনফ্রাক্টাকচার

ইনফ্রাক্টাকচার হলো হার্ডওয়্যার এবং সফ্টওয়্যারের এমন একটি সিস্টেম যেটা কোন আইটি পদ্ধতির সাহায্যে বিজনেস সিস্টেমের জন্য সফ্টওয়্যার উপাদানগুলিকে সহায়তা করে।

 

ইন্টারনেট অফ থিংকস

ইন্টারনেট অফ থিংকস বা সংক্ষেপে IoT হলো সংযুক্ত ডিভাইসগুলির একটি সম্মিলিত নেটওয়ার্ক। যা ডিভাইস এবং ক্লাউডের মধ্যে কার্যকর যোগাযোগে বিশেষ ভূমিকা পালন করে।

মেশিন লার্নিং

মেশিন লার্নিং কে আর্টিফিসিয়াল ইন্টেলিজেন্ট এর একটি শাখাও বলা যেতে পারে। এটি নিজে নিজেই মানুষের আচরণ অনুকরণ করার ক্ষমতার উপর প্রতিষ্ঠিত। যেমন কারো মুখ দেখেই চিনতে পারা বা মুখের কথা বুঝতে পারা।

 

মেইনটেনেন্স এবং রিপেয়ার

এটি একটি নির্দিষ্ট পণ্যের স্থায়িত্ব নিশ্চিত করে যেন এটা তার লাইফ সাইকেলে স্থায়ী হতে পারে।

 

তথ্য প্রযুক্তিতে রোবোটিক্স

রোবটিক্স হলো সাইন্স, ইন্জিনিয়ারিং টেকনোলোজির সমন্বয়ে তৈরি একটি বিশেষ মেশিন যাকে রোবট ও বলা হয়। এটাকে মানুষের ক্রিয়াকলাপের বিকল্প হিসেবেও চিন্তা করা যায়। মানুষের জীবন আরো সহজতর করার উদ্দ্যেশেই রোবট ডিজাইন করা হয়েছে।

সফ্টওয়্যার/অ্যাপ্লিকেশন ডেভেলপমেন্ট

তথ্য প্রযুক্তির এই অংশে এই পদ্ধতিটি অন্যান্য প্রোগ্রামগুলির একটি সেট সহ একটি কম্পিউটার প্রোগ্রাম তৈরি করতে সাহায্য করে যা বিজেনেসে প্রয়োজন হতে পারে।

 

তথ্য প্রযুক্তি জব আসলে কী?

একটি তথ্য প্রযুক্তি জব হলো একটি গুরুত্বপূর্ণ পদ। যা কোন কিছু বাস্তবায়ন, সাপোর্ট, মেইনটেন্যান্স, রিপেয়ার, ডাটা বা কম্পিউটার সিস্টেম প্রোটেকশন করাকে বোঝায়। এটা আসলে বিভিন্ন ধরনের হতে পারে। যেমন কোন কিছু সম্পূর্ণ নতুন করে ডেভেলপ করা অথবা অন্য কারো তৈরিকৃত সিস্টেমের সমস্যা হলে সমাধান করা।

 

কয়েকটি তথ্য প্রযুক্তি জবের উদাহরণ

এবার আমরা তথ্য প্রযুক্তি কি এর ধারাবাহিকতায় কয়েকটি তথ্য প্রযুক্তি সংশ্লিষ্ট জবের উদাহরণ দেখবো। আপনি যদি তথ্য প্রযুক্তি নিয়ে জব করবেন বলে ভেবে থাকেন তবে এখান থেকে একটি বেছে নিতে পারেন। অবশ্যই সেটার উপর আপনাকে ভালোমত দক্ষ হতে হবে।

হার্ডওয়্যার ভিত্তিক তথ্য প্রযুক্তি জব

  • হেল্প ডেক্স টেকনিশিয়ান

  • কম্পিউটার টেকনিশিয়ান

  • নেটওয়ার্ক ইঞ্জিনিয়ার/ আর্কিটেকচার

  • হার্ডওয়্যার ম্যানুফ্যাকচার

  • ক্লাউড ইঞ্জিনিয়ার

  • ক্লাউড আর্কিটেকচার

সফ্টওয়্যার ভিত্তিক তথ্য প্রযুক্তি জব

  • সফ্টওয়্যার ডেভেলপমেন্ট

  • সফ্টওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার

  • প্রোগ্রামার

  • মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন ডেভেলপমেন্ট

  • ওয়েব ডেভেলপমেন্ট

  • প্রোডাক্ট ওনার/ সাপোর্ট

  • সাইবার সিকিউরিটি স্পেশিয়ালিস্ট

  • সাইবার সিকিউরিটি অ্যানালিস্ট

  • সাইবার সিকিউরিটি আর্কিটেক

  • ফরেনসিক অ্যানালিস্ট

  • ইনসিডেন্ট রেসপনডার

  • ম্যালওয়্যার অ্যানালিস্ট

  • পেন টেস্টার/ ইথিক্যাল হ্যাকার

  • থ্রেট হান্টার

ডাটা কালেকশন/ স্টোরেজ অথবা অ্যানালিস্ট ভিত্তিক তথ্য প্রযুক্তি জব

  • ডাটা সাইন্টিস্ট/অ্যানালিস্ট
  • ডাটা ইঞ্জিনিয়ার
  • ডাটাবেজ ইঞ্জিনিয়ার
  • ডাটা প্রাইভেসি অফিসার
  • বিজনেস ইনটেলিজেন্স অ্যানালিস্ট

তথ্য প্রযুক্তিতে লিডারশিপ ভিত্তিক জব

  • আইটি ম্যানেজার/ টিম লিড

  • ডিরেক্টর অফ আইটি

  • চিফ ইনফরমেশন সিকিউরিটি অফিসার

  • চিফ টেকনোলোজি অফিসার

  • চিফ ডাটা অফিসার

তথ্য প্রযুক্তির কোন ফিল্ডে সহজেই প্রবেশ করা যেতে পারে?

আপনি তথ্য প্রযুক্তির ক্ষেত্রে কোন ফিল্ড বা সেক্টরে প্রবেশ করবেন সেটা সম্পূর্ণই আপনার ইচ্ছা বা ভালো লাগার উপর নির্ভর করছে। এমন কোন সেক্টরে প্রবেশ করা উচিৎ না যেখানে কাজ করতে আপনার বিরক্তি লেগে যায়।

 

আমার অনেক ফ্রেন্ড আছে যারা CSE তে ডিপ্লোমা এবং বিএসসি শেষ করে তথ্য প্রযুক্তির এই সেক্টরে নিজের ক্যারিয়ার গড়তে না পেরে অন্য সেক্টরে শিফট হয়ে গেছে। আবার এমনো অনেককে দেখেছি যারা অন্য সেক্টর থেকে এসে তথ্য প্রযুক্তির এই সেক্টরে রাজত্ব করে চলছে।

 

তাই এই ক্ষেত্রে অবশ্যই আপনার নিজের ইচ্ছার গুরুত্ব দিতে হবে। ভাগ্যক্রমে আইটি পেশাদারদের চাকুরীবাজারে মোটামুটি উচ্চ চাহিদা রয়েছে। তবে কিছু আইটি সেক্টরে প্রবেশ করা অন্য সেক্টরের চেয়ে তুলনামূলকভাবে সহজ। অন্য সেক্টরগুলি বেশি প্রতিযোগিতামূলক হতে পারে বা বিশেষ দক্ষতার প্রয়োজন হতে পারে। এখানে তুলনামূলকভাবে কিছু সহজ জবের ধারণা দেওয়া হলো-

 

  1. টেকনিক্যাল সাপোর্ট

  2. কম্পিউটার রিপেয়ার/টেকনিশিয়ান

  3. ডেক্সটপ সাপোর্ট

  4. নেটওয়ার্ক সাপোর্ট

 

তবে এসব ক্ষেত্রে আইটি সার্টিফিকেটগুলি বিশেষ ভূমিকা রাখতে পারে। আইটি সার্টিফিকেটের মাধ্যমে নিয়োগকর্তা বুঝতে পারে চাকুরী প্রার্থীর চাকুরীর জন্য প্রয়োজনীয় দক্ষতা রয়েছে এমনকি ডিগ্রি না থাকলেও।

 

তথ্য প্রযুক্তির ক্ষেত্রে এন্ট্রি লেভেল জব কি?

  • আপনি যদি এই সেক্টরে নতুন হয়ে থাকেন এবং ভেবে থাকেন যে এন্ট্রি লেভেল কোন জব দিয়ে ক্যারিয়ার শুরু করবেন। তাহলে এই জবগুলি দেখতে পারেন। এই সেক্টরগুলিতে লেগে থাকলে এবং পাশাপাশি নিজের দক্ষতা বাড়াতে পারলে ভালো কিছু আশা করাই যায়।


    1. কম্পিউটার রিপেয়ার স্পেশালিস্ট

    2. গ্রাফিক্স ডিজাইন

    3. ওয়েব ডিজাইন/ওয়েব ডেভেলপার

    4. টেকনিক্যাল সাপোর্ট

তথ্য প্রযুক্তি কি একটি ভালো ক্যারিয়ার হতে পারে?

এই প্রশ্নটার ক্ষেত্রে এক কথায় উত্তর হলো হ্যা, অবশ্যই। আপনি নিশ্চয় জানেন বাংলাদেশ ডিজিটাল বাংলাদেশে পদার্পন করেছে এবং গত কয়েক দশকে বাংলাদেশ তথ্য প্রযুক্তিতে অনেকটা এগিয়ে গিয়েছে।

 

২০১৩ সালে যেখানে বাংলাদেশে ইন্টারনেট ব্যাবহারকারি ছিলো ১০,৪১৯,৫৩৫জন শতাংশের হিসেবে ৬.৬শতাংশ। যেখানে ২০২৩ সালে ইন্টারনেট ব্যাবহারকারির সংখ্যা দাড়িয়েছে ৬৬,৯৪০,০০০জন শতাংশের হিসেবে যা ৩৮.৯শতাংশ। 

 

তথ্য প্রযুক্তি সেক্টরে কাজ করার সবচেয়ে বড় সুবিধা হলো এখানে কাজের অনেক ফিল্ড রয়েছে। আপনি আপনার পছন্দমত একটি ফিল্ড বেছে নিয়েই ক্যারিয়ার গড়তে পারেন।

 

 এছাড়াও আপনি যদি কোন এক ফিল্ডে দক্ষ হতে পারেন তবে আপনার চাকুরীর ব্যাবস্থা অনায়াসেই হয়ে যাবে আশা করা যায়। 

 

তথ্য প্রযুক্তি শুধুমাত্র ভালো একটি জব না। এখানে আপনার শিক্ষা এবং দক্ষতা বৃদ্ধির অনেক সুযোগ রয়েছে। আমরা সবাই জানি যে তথ্য প্রযুক্তি সবসময় আপডেট হতে থাকে। 

 

আজ এই ভার্সন ব্যাবহার করছি তো কাল আরেক ভার্সন, আজ এই সফ্টওয়্যার ব্যাবহার করছি তো কাল আরেক সফ্টওয়্যার। এই যে তথ্য প্রযুক্তির সাথে নিজেকে খাপ খাইয়ে চলা। যদি এভাবে কেউ চলতে পারে তবে তার ক্যারিয়ারে ভালো কিছুই অপেক্ষা করছে আশা করা যায়।

 

আশা করি উপরের এই আর্টিকেল থেকে তথ্য প্রযুক্তি কি এই সম্পর্কে মোটামুটি ভালো একটি একটা ধারণা পেয়েছেন। 

 

এরপরও যদি কোন কিছু জানার থাকে তবে আমাদের সাথে

 

যোগাযোগ করতে পারেন। আমরা সর্বাত্নক চেষ্টা করবো আপনাকে সাহায্য করার।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *